Blog

বিসিএমসিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে প্রকৃত ইতিহাস চর্চার আহবান

বঙ্গবন্ধুকে জানা ও ধারণ করার আহবানের মাধ্যমে বিসিএমসি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয় ও বাংলাদেশ টেকনিক্যাল কলেজের যৌথ আয়োজনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসের শুরুতেই সারা দেশের সাথে একযোগে শুদ্ধসুরে গাওয়া হয় জাতীয় সঙ্গীত। এ সময় পতাকা উত্তোলন করেন বিসিএমসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল কবির। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল র‌্যালি, বিজয়স্তম্ভে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ, রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, ইংরেজি দেয়াল পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন, আলোচনা ও দোয়া মোনাজাত। অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ প্রকৌশলী এস এম রেজাউল কবীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিসিএমসি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. আশরাফুল কবির। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আজ স্বাধীনতার মাসে বিশ্ব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে উন্নয়নশীল দেশের। বাংলাদেশ যে দিবসই পালন করা হোক না কেন আলোচনার প্রধান অংশই থাকবে বঙ্গবন্ধু। কেননা তিনি আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন। তিনি পরিকল্পনা করতে জানতেন। তার সেই অর্থনৈতিক স্বাধীনতার স্বাদ এখন আমরা পাচ্ছি। বর্তমানের ডিজিটাল বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা মুদ্রার এপিট ওপিট। যারা বাস্তবায়ন করতে পারে তারাই পরিকল্পনা গ্রহণ করে। যে উন্নয়ন পরিকল্পনায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সে অগ্রযাত্রাকে আমাদের আরো তরান্বিত করতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মো. আফজাল হোসেন।
জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর স্ব স্ব কলেজ থেকে র‌্যালি সহকারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে পৌঁছায়। সেখানে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। শেষে বিসিএমসি হল রুমে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিসিএমসি ডেপুটি রেজিস্ট্রার সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান, বিটিসির সহকারী রেজিস্ট্রার প্রভাষক মো. মাহাবুব হুসাইন, বিসিএমসির বিজনেস অ্যাডমিনিসিট্রশন এন্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক মো. হাসানুজ্জামান, বিটিসির কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক প্রকৌশলী চিন্ময় মজুমদার। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিসিএমসির মো. রায়হানুল ইসলাম,হাবিবুন নাহার সামিয়া, সাইফুল ইসলাম ও বিটিসির মেহেদী হাসান, মো. আরাফাত।
অনুষ্ঠান থেকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিসিএমসি’র বিজয়ী হাবিবা নাসিরন, হাবিবুন নাহার সামিয়া ও আব্দুল্লাহ আল মামুন; বিটিসি’র সামিনা তাসনিম, আবিদ হাসান ও মেহেদী হাসানকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়াও ইংরেজি দেয়াল পত্রিকা প্যানোরমার ৩৯তম সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরআন তেলোয়াত ও শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন বিসিএমসি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতীব মুফতি মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিসিএমসি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ক্লাবের সভাপতি মো. শহিদুল আলম ও বিটিসি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম যাদু। অনুষ্ঠানে সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।